image লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
image লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

#চীনের Suzhou শহরে ভ্রমণ

 

চীনের জিয়াংসু প্রদেশের একটি শহর Suzhou।এই চমৎকার শহরের রয়েছে ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক ইতিহাস।মূলত এটিঐতিহ্যবাহী জলাধারের স্থাপত্যের(water City) জন্য বিখ্যাত।যা ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শহর। সুঝোঅনেক অনন্য আকর্ষণের শহর। 


#সুঝোতে দেখার এবং করার আরও অনেক জিনিস রয়েছে। এখানে কিছু পরামর্শ আছে:


সুঝো মিউজিয়ামে 

পিংজিয়াং ঐতিহাসিক রাস্তায় হাঁটা

সুঝো সিল্ক মিউজিয়ামে 

টংলি ওয়াটার টাউন ঘুরে দেখা 

গ্র্যান্ড ক্যানেলে নৌকায় পুরো এরিয়া ঘোরা

অপেরা থিয়েটার ভিজিট করা

Shiquan স্ট্রিটে কেনাকাটা







#থাইল্যান্ডের উৎসব (loy krathong)



loy krathong' নামে থাইল্যান্ডে একটা চমৎকার উৎসব পালিত হয়।loy krathong এর বাংলা হলো  'আলোর উৎসব'।মূলতলোই ক্র্যাথং জলের দেবীকে সম্মান জানাতে হ্রদ, নদী, খাল এবং সমুদ্র সৈকতে থাইল্যান্ডের মানুষ একত্রিত হয়।অংশগ্রহণকারীরা মোমবাতি এবং ফুল দিয়ে সুন্দরভাবে সাজানো ফুলের তোড়া জলে ভাসিয়ে দেয়।তারা বিশ্বাস করে এতে তারাদুর্ভাগ্য থেকে মুক্তি পাবে, এবং সৌভাগ্য আসবে।আমি ২০ বছর থেকে থাইল্যান্ড আসা যাওয়া করলেও  এইবারেই প্রথম এইউৎসব দেখা সুযোগ হয়েছে।


থাইল্যান্ডের Loy Krathong উৎসবটি থাই চন্দ্র ক্যালেন্ডারের দ্বাদশ মাসের পূর্ণিমার রাতে উদযাপন করা হয়।আধুনিকক্যালেন্ড্রিক্যাল পদ্ধতিতে, এই উৎসবটি সাধারণত নভেম্বর মাসে হয়, তবে তারিখটি প্রতিবছর পরিবর্তিত হয়।সময় বা তারিখপরিবর্তিত হলেও,Loy Krathong এর আনন্দ,গাম্ভীর্য একইরকম থাকে।




"লয় ক্রাথং" শব্দটির "লয়" শব্দটির বাংলা অর্থ "ভাসতে থাকা বা ভাসমান এবং "ক্রাথং" শব্দটির অর্থ ভাসমান ধর্মীয়অফার বা ভাসমান শ্রদ্ধাঞ্জলি।এই উৎসবের বিশেষত্ব হল পুরো থাইল্যান্ড জুড়ে ছোট-বড় সব জলাশয়ে ফুল আর মোম দিয়েসাজানো তোড়া ভাসানো হয়।স্থানীয় প্রথা এবং বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে কিছুটা পরিবর্তিত হয়, তবে উদ্দেশ্য একই মানেসৌভাগ্য লাভ।


প্রতি বছর আধুনিকতার ছোঁয়ায়,লয় ক্র্যাথং আধুনিক সামাজিক জীবনযাপনের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়ে নতুন রুপে আসে। লয়ক্র্যাথং এখনও থাইল্যান্ডের অন্যতম বড় উৎসব গুলোর একটি হিসেবে পালিত হয়। এটি কেবল রঙিন সাজসজ্জা বাআড়ম্বরপ্রধান পরিপূর্ণ অনুষ্ঠান নয়, এটি থাই জনগণের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যকে সম্মানের মূল্যকেও প্রতিফলিত করে।


আমি নিজেও বিশ্বাস করি একটি জাতি তখনই সভ্য এবং আধুনিক বা প্রগতিশীল বলে বিবেচিত হয় যখন সে জাতি তাদেরঐতিহ্যকে সম্মান করে সামনের দিকে এগিয়ে চলে।তাদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে আমি গর্বিত।




#সিডনির রয়্যাল বোটানিক গার্ডেন


 কোথাও বেড়াতে গেলে আমি পার্ক বা গার্ডেন দেখতে পছন্দ করি।অস্ট্রেলিয়া যেহেতু আমার জন্য নতুন মহাদেশ ছিলো, তাইআমার জন্য সিডনির রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনের বৈচিত্র্যময় গাছ,ফুল ল্যান্ডস্কেপ সবই আকর্ষণীয় ছিলো।সিডনির রয়্যালবোটানিক গার্ডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রাচীনতম বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক বোটানিক্যালপ্রতিষ্ঠান।এই গার্ডেনটা সাজানো হয়েছে বিরলতা, বৈচিত্র্য, আকার এবং বৈজ্ঞানিক মূল্যের উপর গুরুত্ব দিয়ে।এছাড়াও গার্ডেনেরমধ্যে মূর্তি, ফোয়ারা, স্মৃতিস্তম্ভ এবং ভিক্টোরিয়ান সাংস্কৃতিক উপস্থিতি বাগানের কাঠামোকে একটি সুন্দর এবং বৈচিত্র্যময় চেহারাদিয়েছে। তাই গার্ডেনটা ঐতিহাসিক, বৈজ্ঞানিক, নান্দনিক এবং সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিরল। 

#সিঙ্গাপুর ভ্রমণ


দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ধনী নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। এক সময়ের ব্রিটিশ উপনিবেশের বাণিজ্যিক স্থান হিসেবে ব্যবহৃত দেশটি বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ‘হাব’-এ পরিণত হয়েছে। দেশটিকে এশীয় অর্থনীতির ‘বাঘ’ বলা হয়।

 #সিঙ্গাপুরের জনসংখ্যা সংখ্যায় অল্প। তবে, এই ক্ষুদ্র দেশের মধ্যে অত্যন্ত বিস্তৃত একটি সংস্থান প্রয়োজন ছিল। সিঙ্গাপুর বিদেশিত নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি স্থান। এখানে বিভিন্ন ধরণের ভ্রমণকারীদের জন্য আকর্ষণীয় বৃহৎ হোটেল, উচ্চমানের রেস্তোঁরা রয়েছে।যা অত্যন্ত  ভালো এবং নিরাপদ সেবার প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করে। তাছাড়াও সিঙ্গাপুরে বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত শপিং মল ও স্টীট মার্কেট রয়েছে, যা বন্ধুত্বপূর্ণ ও আনন্দদায়ক কেনাকাটার অভিজ্ঞতা প্রদান করে।


#সিঙ্গাপুরে সাধারণ জনগণের ভাষা মূলত মালয়। তবে, অনেকেই ইংরেজি ভাষা বলতে পারেন এবং এটি দেশের দুইটি অফিশিয়াল ভাষার একটি।তবে সিঙ্গাপুরে বিভিন্ন ভাষার মানুষ বসবাস করে, বিশেষ করে অনেক ভারতীয় বাস করায় হিন্দি, তামিল ভাষা বেশ প্রচলিত।বাংলা ভাষাভাষী মানুষও দেখা যায়।


#সিঙ্গাপুরে দর্শনীয় স্থানগুলির অন্যতম একটি হলো সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সেল স্টুডিও।এটি মূলত বাচ্চাদের জন্য হলেও সববয়সী মানুষদের কাছেই এটি আকর্ষণীয়।তাই বছরের যে কোন সময়ই পর্যটক আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দুতে থাকে।তাছাড়াও মেরিন বে, গার্ডেনস বাই দি বে, সিঙ্গাপুর জায়েলহাউস, সিঙ্গাপুর জাতীয় সংগ্রহালয়, চায়নাটাউন ও সিঙ্গাপুর আই ওয়ানডার তথা সিঙ্গাপুর ফ্লায়ারল শো গ্রাউন্ড পার্ক সহ অনেক আকর্ষণীয় স্থান আছে।


#সিঙ্গাপুর সংগঠিত ও আধুনিক ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেমের জন্যও পরিচিত।সিঙ্গাপুরে দ্রুতগতির বাস, মেট্রো ও ট্রেন সেবা দিয়ে থাকে।যা অত্যন্ত সুবিধাজনক এবং সময় সংকট কমায়। এছাড়াও সিঙ্গাপুরের আন্তঃজাতিক বিমানবন্দর চ্যাংগি বিমানবন্দর পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়।


#সিঙ্গাপুরে অত্যন্ত বিশ্বস্ত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যায়। সিঙ্গাপুরের আন্তর্জাতিক মানের  বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে কয়েকটি।সিঙ্গাপুরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক বিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হাসপাতাল  সেবা প্রদানের ব্যবস্থা আছে।এছাড়াও মাউন্ট এলিজাবেথ হসপিটাল,সিটি হসপিটাল সহ বেশ কয়েকটি উচ্চমানের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি রয়েছে। 


#এছাড়াও সিঙ্গাপুর বৈচিত্র্যময় খাবারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।সিঙ্গাপুরের বৈচিত্রময় খাবারের পেছনের বড় কারণ জাতিগত বৈচিত্র্য।সিঙ্গাপুরে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে, তাদের নিজস্ব খাদ্যাভ্যাসের সাথে প্রতিবেশীর খাদ্যাভ্যাসের মিলন ঘটে।এখানে ভারতীয়,চাইনিজ ও মালয়েশিয়ান বসবাস করে সবচেয়ে বেশি।এছাড়া অন্যান্য আরো কিছু জাতিগোষ্ঠী সহ বাংলাদেশি মানুষও বসবাস করে বলে বাঙালী খাবার পাওয়া যায় অনেক জায়গায় এবং দামেও সুলভ বলা যায়।

#সিঙ্গাপুরের সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক জীবন প্রশান্ত ও সাম্যবাদী।দেশের বিভিন্ন ধরণের দেশের, ধর্মের ও সংস্কৃতির মানুষ এখানে শান্তিপূর্ণ ও নির্যাতনমুক্ত পরিবেশে বসবাস করে।তাই বিভিন্ন সংস্কৃতি এখানে রাষ্ট্র পরিচালনার অংশ।এছাড়াও সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন ধরণের উৎসব, মেলা, সাহিত্যিক ও কার্যক্রমগুলি সারা বছর বেশ ঘটা করে পালিত হয়, যা দেশের ভারতীয়, মালয়, চীনা, মুসলিম ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক গুরুত্বের বার্তা তুলে ধরে।

#নেপাল ভ্রমণ(টিপস)


 1. কাঠমান্ডু অন্বেষণ করুন: নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু না দেখে অন্য শহরে যাওয়া আমার মতে বোকামি।নেপাল ভ্রমণ শুরুকরা উচিৎ কাঠমুন্ডু থেকে। পশুপতিনাথ এবং বদ্রীনাথের আইকনিক মন্দিরগুলি দেখার মতো।এছাড়া ঐতিহাসিক দরবারস্কোয়ারের চারপাশে ঘুরে না দেখলে তো কাঠমুন্ডু ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।নেপালের স্থানীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা জন্যকাঠমুন্ডু উত্তম জায়গা।

2. এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে ট্রেক করুন: এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে ট্রেকিং করে চূড়ান্ত অ্যাডভেঞ্চারে যাত্রা করুন। হিমালয়ের শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য দেখুন, শেরপা সম্প্রদায়ের সাথে যোগাযোগ করুন এবং বিশ্বের সর্বোচ্চ শিখরের পাদদেশে থাকার রোমাঞ্চঅনুভব করুন।


3. পোখরা বেড়াতে যান: মনোরম শহর পোখরাতে যান, যা তার অত্যাশ্চর্য হ্রদ এবং পর্বত দৃশ্যের জন্য পরিচিত। ফেওয়া লেকে নৌকায় চড়ে যান, ওয়ার্ল্ড পিস প্যাগোডায় যান এবং সত্যিকারের আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতার জন্য প্যারাগ্লাইডিংয়ে যান।যদি এডভেঞ্চার প্রিয় হয়ে থাকেন।


4. চিতওয়ান জাতীয় উদ্যান: চিতওয়ান জাতীয় উদ্যানের বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে কিছু সময় না কাটালে নেপাল ভ্রমণ বৃথা হবে।বেঙ্গল টাইগার এবং এক শিংওয়ালা গন্ডারের মতো বিপন্ন প্রজাতি দেখতে হলে এক ধাপ এগিয়ে জঙ্গল সাফারির এডভেঞ্চারনিতে হবে।এছাড়াও আপনি বেশ কিছু রাইড উপভোগ করতে পারেন এবং ঐতিহ্যবাহী থারু সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দেখতে পারেন।


5. ভক্তপুর: প্রাচীন শহর ভক্তপুর আবিষ্কার করুন, যা তার সুসংরক্ষিত মধ্যযুগীয় স্থাপত্যের জন্য পরিচিত। জটিলভাবে খোদাইকরা মন্দিরগুলি অসম্ভব সুন্দর।এছাড়া এলাকার সরু গলিগুলি ঘুরে দেখুন এবং খাঁটি নেওয়ারি খাবারের স্বাদ নিন।


6. লুম্বিনী: ভগবান বুদ্ধের জন্মস্থান লুম্বিনীতে যেতে পারেন।পবিত্র বৌদ্ধ তীর্থস্থান দর্শন এবং মায়াদেবী মন্দির পরিদর্শন করতেপারেন।এছাড়া লুম্বিনী হলো  শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ধ্যানের জন্য বিখ্যাত।


7. নাগারকোট: নাগরকোট থেকে হিমালয়ের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করুন। তুষার-ঢাকা চূড়ার উপর মুগ্ধকর সূর্যোদয়ের সাক্ষীহতে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠুন, এবং আশেপাশের গ্রামাঞ্চলের মধ্য দিয়ে চাইলে হাইক করা যায়।


8. জনকপুর: জনকপুরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অভিজ্ঞতা নিন, একটি শহর যা হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণের সাথে সম্পৃক্ততারজন্য বিখ্যাত।দেবী সীতাকে উত্সর্গীকৃত জানকী মন্দিরে যেতে পারেন এবং প্রাণবন্ত স্থানীয় উত্সব এবং ঐতিহ্যগুলি উপভোগকরতে পারেন।


9. তানসেন: পালপা জেলায় অবস্থিত তানসেনের মনোরম পাহাড়ি শহরটি ঘুরে দেখুন। এর গলিত রাস্তায় ঘুরে বেড়ান, ঐতিহাসিক তানসেন দরবার দেখুন এবং আশেপাশের উপত্যকার অত্যাশ্চর্য দৃশ্য উপভোগ করুন।


10. গোর্খা: ঐতিহাসিক শহর গোর্খা ঘুরে বেড়াতে পারেন।এখানে বিখ্যাত গুর্খা যোদ্ধাদের পৈতৃক বাড়ি।এখানে গোর্খাদরবার দেখতে পারেন।গোর্খা প্রাসাদ সহ এই অঞ্চলের আকর্ষণীয় ইতিহাস সম্পর্কে জানুন।


11. ল্যাংটাং জাতীয় উদ্যান: নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে অবস্থিত ল্যাংটাং জাতীয় উদ্যানের মধ্য দিয়ে ট্রেকিং করতে পারেন।তাতে বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ এবং প্রাণীর অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।এছাড়া এখানে, বন্ধুত্বপূর্ণ স্থানীয় সম্প্রদায়ের মুখোমুখি পরিচিতহতে পারেন এবং ল্যাংটাংথেকে হিমালয়ের শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।


12. রারা হ্রদ: মুগুর প্রত্যন্ত অঞ্চলে একটি লুকানো রত্ন বলা যেতে পারে রারা হ্রদকে।সবুজ বনে ঘেরা আদিম ফিরোজা জলে শুধুআশ্চর্য হবেন না, হ্রদে বোটিংও করতে যান।এছাড়া নেপাল ভ্রমণের একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতার জন্য তারার রাতের আকাশের নীচে ক্যাম্প করুন৷


আশা করি এই ভ্রমণ টিপস গুলো আপনার নেপাল ভ্রমণের সময় সহায়তা করবে। আশা করছি আপনি নেপালের সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং এডভেঞ্চারের আনন্দ উপভোগ করবেন। ভ্রমণে শুভ কামনা রইলো!

Ads Inside every post