থাইল্যান্ড ভ্রমণের বাজেট


Thailand যার নামের মানে শান্তিরদেশ, সৌন্দর্য ও জীবন যাত্রার আকর্ষণে এটি Asia মহাদেশের অন্যতম Most Tourist visitors country। Thailand যাত্রা বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় একটি গন্তব্য

আথিতেয়তা,খরচ,সৌন্দর্য, নিরাপত্তা সবদিক বিবেচনা করলে এশিয়ার সবচেয়ে সস্তা এবং আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলোর অন্যতম দেশ থাইল্যান্ড।দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড সাদা হাতির দেশ নামেই অতি সুপরিচিত।একটু লম্বা ছুটি পেলে বাংলাদেশী টুরিস্টদের কাছে এখন জনপ্রিয় গন্তব্য থাইল্যান্ড। বাঙালিদের মধ্যে ভ্রমণের জন্য ভারতের পরেই Thailand।


Dhaka–Bangkok round trip economy প্রায় ৩৫-৪৫ হাজার টাকা।যদিও নির্দিষ্ট এয়ারলাইনস  ও তারিখে দাম পরিবর্তিত হবে।


🌴 আমার প্রথম পছন্দ: Bangkok + Krabi

আমি Phuket না নিয়ে Krabi বেছে নেব। কারণ Krabi-তে beach, islands, limestone mountains এবং nature একসঙ্গে পাওয়া যায়।

৭ দিন / ৬ রাত — ২ জন

দিন

পরিকল্পনা

Day 1

✈️ Dhaka → Bangkok → hotel → evening market

Day 2

Bangkok sightseeing + MBK/Terminal 21 shopping

Day 3

✈️ Bangkok → Krabi → Ao Nang → beach + sunset

Day 4

🏝️ Four Islands + Railay Beach

Day 5

🌊 Hong Island tour + snorkeling

Day 6

🌿 Emerald Pool + Hot Spring / অথবা relaxing beach day + local shopping

Day 7

✈️ Krabi → Bangkok → Dhaka

Bangkok–Krabi return airfare-এর বর্তমান Thai Airways listings  প্রায় THB 4,335–4,665 per personলাগতে পারে। যদিও budget airlines-এ আরও কম পাওয়া যেতে পারে। 

💰 আনুমানিক মোট বাজেট — ২ জন

আমি comfortable কিন্তু luxury নয় এমন trip ধরছি:

  • ✈️ Dhaka–Bangkok return: ৳80,000–90000
  • ✈️ Bangkok–Krabi return: ৳25,000–35,000
  • 🏨 ৬ রাত ভালো 3-star hotel: ৳25,000–35,000
  • 🏝️ ২টি island tour: ৳20,000–28,000
  • 🍜 খাবার: ৳15,000–20,000
  • 🚕 Airport/local transport: ৳10,000–15,000
  • 🛍️ Shopping: নিজের উপর 
  • 💵অন্যান্য : ৳5,000–10,000

👉 মোট: প্রায় 

৳1,80,000–2,60,000

দুজনের জন্য আমার মনে হয় ২ লাখ টাকা হলে বেশ আরাম করে ৭ দিন Thailand ঘুরা যায়—খুব luxury নয়, আবার খুব tight budget-ও নয়।

#ইস্তাম্বুল



 আমি ইস্তাম্বুল ম্যারাথনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে ৬ দিনের জন্য তুরস্কের ঐতিহাসিক শহর ইস্তাম্বুলে গিয়েছিলাম। এই সফরের মূল আকর্ষণ ছিল আন্তর্জাতিক ম্যারাথন।যা সফলভাবে সম্পন্ন করার পর আমি বাকি ৪ দিন শহরটি ঘুরে দেখি।


ইস্তাম্বুল শহরে পা রাখার মুহূর্ত থেকেই মনে হলো, আমি যেন এক শহরে নয়—দুটি মহাদেশের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছি। এশিয়া ও ইউরোপের মিলনস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা এই শহর ইতিহাস, সংস্কৃতি আর সৌন্দর্যের এক অনন্য মেলবন্ধন।


সকালের আলোয় হাগিয়া সোফিয়ার দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলাম, সময় এখানে শুধু ইতিহাস নয়—একটি জীবন্ত অনুভূতি। কখনো গির্জা, কখনো মসজিদ, আবার এখন জাদুঘর—হাগিয়া সোফিয়া ইস্তাম্বুলের আত্মার মতোই বহুমাত্রিক। পাশেই নীল মসজিদ (সুলতান আহমেদ মসজিদ) তার নীল টাইলস আর শান্ত পরিবেশ দিয়ে মন ছুঁয়ে যায়।


গ্র্যান্ড বাজারে ঢুকতেই চোখে পড়ে রঙিন বাতি, কার্পেট, মসলা আর হাতে তৈরি নানা শিল্পকর্ম। মানুষের কোলাহল, দোকানদারদের হাসিমুখ আর দর কষাকষির মজা—সব মিলিয়ে এক আলাদা আনন্দ। এখানকার তুর্কিশ চা আর কফির স্বাদ আজও মনে গেঁথে আছে।


বসফরাস প্রণালীতে নৌভ্রমণ ছিল পুরো সফরের সবচেয়ে শান্ত মুহূর্ত। পানির ওপর ভেসে থাকা অবস্থায় এক পাশে ইউরোপ, অন্য পাশে এশিয়া—এই দৃশ্য ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। সূর্যাস্তের সময় আকাশ আর পানির রঙ বদলে যাওয়া যেন প্রকৃতির এক নীরব কবিতা।এছাড়া রাতের আলোয় আলোকিত ইস্তাম্বুল শহর, নৌকার ওপর বসে খাবার উপভোগ করা এবং দুই মহাদেশের মাঝখান দিয়ে ভেসে চলার অনুভূতি ছিল সত্যিই অসাধারণ।


গালাটা টাওয়ার থেকে পুরো শহরকে এক নজরে দেখার অভিজ্ঞতা ছিল খুবই রোমাঞ্চকর। ওপর থেকে বসফরাস, পুরোনো শহরের ছাদ আর আধুনিক ইস্তাম্বুল—সবকিছু একসঙ্গে দেখা যায়।



ইস্তাম্বুল শুধু দেখার শহর নয়, অনুভব করার শহর। এখানে ইতিহাস কথা বলে, রাস্তা গান গায়, আর মানুষ আপন করে নেয়। ইস্তাম্বুল ভ্রমণ শেষে মনে হয়েছিল—আমি শুধু একটি শহর ঘুরে আসিনি, বরং এক জীবন্ত সভ্যতাকে ছুঁয়ে দেখেছি।

#গডফাদার

 


মাৱিও পুজোৱ এক অপূর্ব সৃষ্টি ‘দ্য গডফাদার’ পৃথিবীর সবচেয়ে পড়া, বিক্রি হওয়া উপন্যাসগুলোর একটি। এই উপন্যাস নিয়ে  মুভিও তৈরি হয়েছে।


'গডফাদার' শব্দের উচ্চারণেই আমাদের কল্পনায় ভেসে ওঠে এমন একজন ব্যক্তির অবয়ব, যিনি লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে সমাজের অনেক ঘটনার কলকাঠি নাড়েন। সাধারণ মানুষের সাথে ‘গডফাদার’ নামের সেই প্রভূত ক্ষমতাধর আবছায়া চরিত্রটিকে খুব একটা ঘেঁষতে দেখা যায় না। এজন্য চিরকালই তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন আগ্রহোদ্দীপক ব্যক্তিত্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কোনো অদৃশ্য বেড়াজালে বন্দী হয়ে তাকে ঘাটাতে সাহস পায় না।গডফাদারেরা নিজেদের অঘোষিত সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলার প্রতি বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। এই বইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন  এমন এক গডফাদার ভিটো করলিওনে, একজন ইতালিয়ান-আমেরিকান মাফিয়া ডন, যিনি অপরাধজগতের শীর্ষে থেকেও পরিবার ও সম্মানের মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন। তার নেতৃত্ব, ন্যায়বোধ এবং কৌশলী মনোভাব তাকে একাধারে ভয়ংকর ও শ্রদ্ধেয় করে তোলে। গল্পটি ধীরে ধীরে এগোয় তার ছেলে মাইকেল করলিওনের রূপান্তরের দিকে—একজন শান্ত, যুদ্ধফেরত তরুণ থেকে নির্মম কিন্তু বুদ্ধিদীপ্ত মাফিয়া নেতায় পরিণত হওয়ার যাত্রা বইটির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক।


মারিও পুজোর লেখনীর বড় গুণ হলো চরিত্র নির্মাণ। প্রতিটি চরিত্র—সনি, ফ্রেডো, টম হ্যাগেন কিংবা ভিলেনরা—নিজস্ব গভীরতা ও বাস্তবতা নিয়ে হাজির হয়। সংলাপগুলো সংক্ষিপ্ত হলেও অর্থবহ, আর গল্প বলার ভঙ্গি এতটাই আকর্ষণীয় যে পাঠক সহজেই করলিওনে পরিবারের জগতে ডুবে যায়।


বইটি ক্ষমতার অন্ধকার দিক দেখালেও পরিবার, বিশ্বস্ততা এবং সিদ্ধান্তের পরিণতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলে। এখানে “ভালো” বা “খারাপ” স্পষ্টভাবে আলাদা নয়—বরং পরিস্থিতি ও প্রয়োজন মানুষকে কীভাবে বদলে দেয়।


ক্রাইম ফিকশন ধর্মীয় কল্পনাশ্রয়ী এই উপন্যাসে

অপরাধজগতের অনেকগুলো ‘সত্য’কে সাধারণ মানুষের সামনে এসেছে।পুজোর লেখনীতে মনে হবে আপনি যেন ১৯৫০ এর দশকের ম্যানহাটনের রাস্তায় হাঁটছেন, মাফিয়া পরিবারগুলোর ক্ষমতার লড়াই নিজ চোখে প্রত্যক্ষ করছেন।যা আমাকে মুগ্ধ করে।


The Godfather শুধু একটি মাফিয়া কাহিনি নয়, এটি ক্ষমতা, পরিবার, আনুগত্য এবং নৈতিকতার জটিল সম্পর্কের এক গভীর বিশ্লেষণ।

জিনজিয়াং নৃত্য- চীন




আমি যতবার সকালে চীনের কোনো পার্কে গিয়েছি, ততবারই সেখানে কোনো না কোনো কর্নারে দলবেঁধে নাচতে দেখি।এবার তাদের একজনের সঙ্গে কথা বলে তাদের সম্পর্কে জেনেছি জিনজিয়াং নৃত্য সম্পর্কে।


জিনজিয়াং নৃত্যের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যময়।এই নৃত্যে সঙ্গীত এবং নৃত্যে পূর্ব এবং পশ্চিমা প্রভাবের একটি অনন্য মিশ্রণ ঘটে।এই নৃত্যের প্রাণবন্ত, আনন্দময় একটা ছন্দ থাকে, যা সংহতি এবং আশাবাদ প্রকাশ করে।এই শিল্পীরা সামাজিক জীবনের বিভিন্ন অতীত ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করে নাচের মাধ্যমে।

আজ সকালে এমন একজন শিল্পীর সঙ্গে পরিচয় হয়।যদিও ভাষাগত পার্থক্যের কারণে তার সব কথা বুঝতে পারিনি, শুধু বুঝতে পেরেছি সে খুব খুশী হয়েছে, তার ভিডিও করায়।

 চাইনিজরা একঘেয়েমি এবং মানসিক চাপ কমানোর  জন্য পার্ক বা খোলা জায়গায়  নাচ করেন।বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ বা যারা অবসর গ্রহণ করেছেন তারা সাধারণত  এতে অংশ নেন।বলতে গেলে এমন নাচ চীনের পাবলিক স্পেসে খুবই  সাধারণ দৃশ্য। এই দলগত নৃত্য যা প্রায়শই "স্কোয়ার ড্যান্সিং" বা "প্লাজা ড্যান্সিং" নামে পরিচিত। এই নৃত্য প্রায়শই অংশগ্রহণকারী এবং দর্শক উভয়ের জন্যই উপভোগ এবং বিনোদনের উৎস।যে কোনো জায়গাকে একটি প্রাণবন্ত পাবলিক স্পেসে অবদান রাখে।

মূলত স্থান অভাবে শহরাঞ্চলের,মানুষ পার্কের মতো পাবলিক স্পেস ব্যবহার করে নাচতে বাধ্য হয়।

Ads Inside every post