Thailand লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Thailand লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

#থাইল্যান্ডের উৎসব (loy krathong)



loy krathong' নামে থাইল্যান্ডে একটা চমৎকার উৎসব পালিত হয়।loy krathong এর বাংলা হলো  'আলোর উৎসব'মূলতলোই ক্র্যাথং জলের দেবীকে সম্মান জানাতে হ্রদনদীখাল এবং সমুদ্র সৈকতে থাইল্যান্ডের মানুষ একত্রিত হয়।অংশগ্রহণকারীরা মোমবাতি এবং ফুল দিয়ে সুন্দরভাবে সাজানো ফুলের তোড়া জলে ভাসিয়ে দেয়।তারা বিশ্বাস করে এতে তারাদুর্ভাগ্য থেকে মুক্তি পাবেএবং সৌভাগ্য আসবে।আমি ২০ বছর থেকে থাইল্যান্ড আসা যাওয়া করলেও  এইবারেই প্রথম এইউৎসব দেখা সুযোগ হয়েছে।


থাইল্যান্ডের Loy Krathong উৎসবটি থাই চন্দ্র ক্যালেন্ডারের দ্বাদশ মাসের পূর্ণিমার রাতে উদযাপন করা হয়।আধুনিকক্যালেন্ড্রিক্যাল পদ্ধতিতেএই উৎসবটি সাধারণত নভেম্বর মাসে হয়তবে তারিখটি প্রতিবছর পরিবর্তিত হয়।সময় বা তারিখপরিবর্তিত হলেও,Loy Krathong এর আনন্দ,গাম্ভীর্য একইরকম থাকে।




"লয় ক্রাথংশব্দটির "লয়শব্দটির বাংলা অর্থ "ভাসতে থাকা বা ভাসমান এবং "ক্রাথংশব্দটির অর্থ ভাসমান ধর্মীয়অফার বা ভাসমান শ্রদ্ধাঞ্জলি।এই উৎসবের বিশেষত্ব হল পুরো থাইল্যান্ড জুড়ে ছোট-বড় সব জলাশয়ে ফুল আর মোম দিয়েসাজানো তোড়া ভাসানো হয়।স্থানীয় প্রথা এবং বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে কিছুটা পরিবর্তিত হয়তবে উদ্দেশ্য একই মানেসৌভাগ্য লাভ।


প্রতি বছর আধুনিকতার ছোঁয়ায়,লয় ক্র্যাথং আধুনিক সামাজিক জীবনযাপনের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়ে নতুন রুপে আসে। লয়ক্র্যাথং এখনও থাইল্যান্ডের অন্যতম বড় উৎসব গুলোর একটি হিসেবে পালিত হয়। এটি কেবল রঙিন সাজসজ্জা বাআড়ম্বরপ্রধান পরিপূর্ণ অনুষ্ঠান নয়এটি থাই জনগণের ধর্মীয় মূল্যবোধ  ঐতিহ্যকে সম্মানের মূল্যকেও প্রতিফলিত করে।


আমি নিজেও বিশ্বাস করি একটি জাতি তখনই সভ্য এবং আধুনিক বা প্রগতিশীল বলে বিবেচিত হয় যখন সে জাতি তাদেরঐতিহ্যকে সম্মান করে সামনের দিকে এগিয়ে চলে।তাদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে আমি গর্বিত।




#থাইল্যান্ড ভ্রমণ(শপিংমল)


 বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের কাছে থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য অন্যতম পছন্দের দেশ।ট্রেকারস থেকে শুরু করে প্রকৃতিপ্রেমী, রয়্যালটি পর্যবেক্ষক, ফুড লাভার,শপিং পাগল বা মেডিটেশনের ভক্ত সবার কাছে থাইল্যান্ড ডিম ডেসটিনেশন।আর আজকাল তো একটু লম্বা ছুটি পেলে বাংলাদেশী টুরিস্টদের কাছে এখন জনপ্রিয় গন্তব্য থাইল্যান্ড।আথিতেয়তা,খরচ,সৌন্দর্য, নিরাপত্তা সবদিক বিবেচনা করলে এশিয়ার সবচেয়ে সস্তা এবং আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলোর অন্যতম দেশ।আর শপিং পাগল টুরিস্টদের জন্য তো স্বর্গই বলা যায়।শপিংয়ের পরম স্বর্গ হিসাবে বিখ্যাত এই প্রাণবন্ত শহরটি সব শ্রেণির মানুষের কথা বিবেচনায় রেখে শপিং মল গুলো সাজিয়েছে।তাই এখানে কেনাকাটায় বাজেট শপিং বা রাস্তার জমজমাট বাজার থেকে শুরু করে উচ্চ মানের মল সব আছে ব্যাংককে।

এই ব্লগ পোস্টে,ব্যাংককের অভিজাত শপিংমল থেকে বাজেট শপিংয়ের বাজার হাইলাইট করব।

1. চাটুচক উইকএন্ড মার্কেট:

চাতুচাক উইকেন্ড মার্কেটের উল্লেখ না করে ব্যাংককে কেনাকাটা নিয়ে কোনো আলোচনাই সম্পূর্ণ হবে না। এই বিশাল জায়গা জুড়ে থাকা বাজারটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম, প্রায় ৩৫ একর জমি জুড়ে প্রায় ১৫০০০টিরও বেশি স্টল রয়েছে। এখানে, আপনি ট্রেন্ডি ফ্যাশন আইটেম এবং থেকে শুরু করে হস্তশিল্প, প্রাচীন জিনিস এবং বিদেশি পোষা প্রাণী থেকে আপনার আকাঙ্ক্ষিত প্রায় সবকিছুই খুঁজে পারেন।বাজারকে বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, আইটেম অনুসারে।এতে নেভিগেট করা সহজ হয়, এবং এর প্রাণবন্ত পরিবেশ এবং দর কষাকষির সুযোগগুলি আরো ফানি করে তোলে পরিবেশকে।

2. MBK কেন্দ্র:

MBK মার্কেটটি ব্যাংককের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এমবিকে সেন্টার এমন এক শপিং মল যা স্থানীয় এবং পর্যটকদের জন্য সমানভাবে একটি আইকনিক গন্তব্য।দোকান, রেস্তোরাঁ এবং বিনোদনের ব্যবস্থাসহ আট তলার MBK সেন্টার সবার সমস্ত কেনাকাটার প্রয়োজনের জন্য একটি ওয়ান-স্টপ গন্তব্য।এটি ফ্যাশন, ইলেকট্রনিক্স, প্রসাধনী এবং থাই হস্তশিল্প সহ বিভিন্ন পণ্যের আয়োজনে সাজানো। এখানে জিনিসপত্রের দাম খুব যুক্তিসঙ্গত।আর আপনার যদি দর কষাকষির দক্ষতা থেকে থাকে তাহলে তো কথাই নেই।

3. সিয়াম প্যারাগন:

আপনি যদি বিলাসী সামগ্রীর ত্রেতা হয়ে থাকেন বা বিলাসবহুল কেনাকাটার অভিজ্ঞতা নিতে চাইছেন, তাহলে সিয়াম প্যারাগন হতে পারে আদর্শ গন্তব্য।এই আপস্কেল মলটি উচ্চমানের ফ্যাশন ব্র্যান্ড, বিলাসবহুল জিনিসপত্র এবং মাল্টি ন্যাশনাল ফুড শপ সহ কি নেই! সব আয়োজন একজায়গায়।মলের ডিজাইনার বুটিকগুলোর জন্য বিস্তৃত পরিসর ছাড়াও, সিয়াম প্যারাগন একটি বৃহৎ সিনেমা কমপ্লেক্স, একটি অ্যাকোয়ারিয়াম এবং আন্তর্জাতিক ডাইনিং,সবকিছুর জন্যই খোলামেলা জায়গা নিয়ে মলের নকশা করেছে।মোটকথা, এমনকি যদি আপনি শপিং করার পরিকল্পনা না ও করেন, তবুও সিয়াম প্যারাগন দেখার  জন্যও যেতে পারেন।বলা যায় সিয়াম প্যারাগন বিনোদন সেন্টারও বটে।

4. চায়নাটাউন:

ব্যাংককে একটি ভিন্ন ধরনের শপিং অভিজ্ঞতার জন্য, চায়নাটাউনের প্রাণবন্ত এলাকায় যেতে হবে।ইয়াওওয়ারাত নামে পরিচিত, এই এলাকাটি দোকান, রাস্তার খাবারের স্টল সহ অনেক কিছুর জন্য বিখ্যাত। এখানে, আপনি ঐতিহ্যগত চীনা পণ্য, প্রাচীন জিনিসপত্র, ভেষজ প্রতিকার এবং সুস্বাদু রাস্তার খাবার পেতে পারেন। প্রাণবন্ত পরিবেশ এবং সরু গলি চীনটাউনকে স্থানীয় সংস্কৃতির অন্বেষণ এবং স্বাদ পেতে একটি চমৎকার জায়গা করে তুলেছে।

5. টার্মিনাল 21:

টার্মিনাল 21 একটি অনন্য থিমযুক্ত শপিং মল যা আপনাকে সারা বিশ্বে ভ্রমণে নিয়ে যায়। প্রতিটি ফ্লোর একটি ভিন্ন আন্তর্জাতিক শহরের প্রতিনিধিত্ব করে আইকনিক ল্যান্ডমার্ক এবং সাজ সজ্জা দিয়ে।এই মলটি ফ্যাশন এবং লাইফস্টাইলের সামগ্রী নিয়ে বিস্তৃত পরিসরের পাশাপাশি রেস্তোরাঁ এবং ক্যাফেগুলির একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশসহ সাজানো গোছানো।বিনোদন এবং দুর্দান্ত কেনাকাটার অভিজ্ঞতায় নিজেকে আনন্দিত করার জন্য টার্মিনাল  21 একটি চমৎকার জায়গা।যেখানে ট্রেন্ডি পোশাক থেকে আনুষাঙ্গিক এবং স্যুভেনির কি নেই!! 


পরিশেষে বলবো, থাইল্যান্ড শুধু শপিং নয়, অনেক কিছুর জন্যই টুরিস্ট প্রিয় গন্তব্য।থাই নাগরিকদের আতিথেয়তা এবং হাসি মুখে হাত জোড় করে অভিবাদনের রীতি দেখলে মনে হয় দেশটির "হাসির দেশ" ডাক নামটিও যথার্থ। তাই তো দেশটিতে প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ বিদেশি পর্যটক ভিজিট করে।


#থাইল্যান্ডের খাবার


 সাধারণত বাঙালীরা সেই জাতি যারা দেশে বসে বিদেশি খাবার খোঁজে,কিন্তু বিদেশে ঘুরতে গিয়ে বাঙ্গালী হোটেল খোঁজে😂।অবশ্য কেউ কেউ ধর্মীয় রীতিনীতির কারণে বিদেশে গেলে বাঙালি রেস্টুরেন্টে খেতে পছন্দ করে।তবে যাই হোক বিভিন্ন দেশের মানুষদের বিভিন্ন ধরনের খাবার এবং কোন কোন দেশের কিছু কিছু খাবারকে অদ্ভুত মনে হলেও আপনি ট্র্যাভেলার হলে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর খাদ্যাভ্যাসের তারিফ আপনাকে করতে হবেই ! 

#থাইল্যান্ড ভ্রমণের খুটিনাটি


 একটু লম্বা ছুটি পেলে বাংলাদেশী টুরিস্টদের কাছে এখন জনপ্রিয় গন্তব্য থাইল্যান্ড।আথিতেয়তা,খরচ,সৌন্দর্য, নিরাপত্তা সবদিক বিবেচনা করলে এশিয়ার সবচেয়ে সস্তা এবং আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলোর অন্যতম দেশ থাইল্যান্ড।দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড সাদা হাতির দেশ নামেই অতি সুপরিচিত। 

#মালয়েশিয়ার গেন্টিং হাইল্যান্ড(মালয়েশিয়া ভ্রমণ)


 মালয়েশিয়ার কথা বলতেই আমার চোখে ভাসে ঔপনিবেশিক ভবন এবং আইকনিক ৪৫১ মিটার লম্বা পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারের মতো আকাশচুম্বী ভবন।মূলত মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির একটি দেশ। মালয়েশিয় সংস্কৃতির মূল ভিত্তি হলো সেখানকার আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও সমাজের আবহমান কাল ধরে পালন করে আসা বৈচিত্রময় দৃষ্টিভঙ্গী ও আচার-আচরণ।যা ইসলামি সংস্কৃতির সাথে অভূতপূর্ব মেলবন্ধন তৈরি করেছে।মালেশিয়া এশিয়ার অন্যতম কসমোপলিটান দেশ হতে পেরেছে তাদের নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মূল্যবোধ, সুন্দর অর্থনৈতিক সম্পর্ক আর শক্তিশালী রাজনৈতিক কাঠামোর কারনে।আর মালেশিয়ার এই বৈচিত্র্যপূর্ণ সমাজই আমাকে চরমভাবে আকৃষ্ট করে।প্রথম বার মালেশিয়ায় গিয়ে তো আমি এয়ারপোর্টের আধুনিকতা থেকে শুরু করে সাজানো গোছানো সিটি, উন্নত অবকাঠামো সব কিছুতেই অবাক হয়েছি।

#থাইল্যান্ড ভ্রমণ


বাংলাদেশী পর্যটকদের কাছে ভ্রমণের জন্য ভারতের পরে এখন থাইল্যান্ড। বাংলাদেশিদের পছন্দের তালিকায় থাইল্যান্ড হওয়ার কারন বিমান ভাড়া কম, ভিসা পাওয়ার ঝামেলা কম, খরচ কম, উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা,শপিং এর শহর। বাংলাদেশী পর্যটকদের জন্য শুধু নয়, বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের কাছে থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য অন্যতম পছন্দের দেশ। ট্রেকারস থেকে শুরু করে প্রকৃতিপ্রেমী, রয়্যালটি পর্যবেক্ষক, ফুড লাভার,শপিং পাগল বা মেডিটেশনের ভক্ত সবার কাছে থাইল্যান্ড ডিম ডেসটিনেশন।

#থাইল্যান্ডের টাইগার টেম্পল


কিউট একটা বাঘের বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ছবি তোলার শখ কার না আছে! বা জলজ্যান্ত রাজকীয় চেহারার একটা বাঘের পাশে বসে পোজ দেয়ার সুযোগ কে হারাতে চায়! আমিও তাই আমার ফেসবুক প্রোফাইল ছবিটা বাঘের সাথে দেয়ার শখ করতেই পারি☺️

# মৃত রেলওয়ে(কাঞ্চনাবুড়ি,থাইল্যান্ড )


আমার মতো অনেকেই ফরাসি লেখক পিয়েরে বুলের বই ‘দ্য ব্রিজ অন দ্য রিভার কাওয়াই’ বইটা পড়ে থাকবেন।তারা জানেন, বইটি কোন কল্পনাপ্রসূত কাহিনী নিয়ে নয়,এটি মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে ফেরা একজন যুদ্ধবন্ধীর অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখা।এই বই পড়ার পর থেকে ডেথ রেলওয়ে নিয়ে আমার আগ্রহ ছিল।এবার সময় পেয়ে কাঞ্চনাবুড়ি গেলাম।যদিও আমি এর আগেও কাঞ্চনাবুড়ি গিয়েছিলাম।তবে তখন বিশেষ কারনে শুধু টাইগার টেম্পল দেখেই ফিরে গিয়েছিলাম।

Ads Inside every post